January 30, 2024

ডুয়েটে আন্তঃহল ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আন্তঃহল ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। 

অনুষ্ঠানে উপাচার্য বিজয়ী, বিজিত ও খেলায় অংশগ্রহণকারী- সবাইকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রম শুধু আমাদের দেহমনকেই সুস্থ রাখে না; বরং অন্যের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও স¤প্রীতির বন্ধন তৈরিতেও ভূমিকা রাখে। তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা একান্তভাবে জরুরি। বর্তমান সরকারের নিবিড় প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সফলতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের জীবনধারার মানের উন্নয়ন ঘটেছে। তবে সেই পরিবর্তিত জীবনধারার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার জন্য শরীর ও মনের সমন্বয় এবং ব্যক্তিগত জীবনের উন্নতির স্বার্থেই আমাদের খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রমের দিকে নজর দিতে হবে। এছাড়া সামাজিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক বিকাশ ঘটাতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ নানামুখী সৃজনশীল ও মননশীল কর্মকান্ডে যুক্ত হতে হবে।

এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনে দীক্ষিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। এছাড়া তিনি ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ খেলায় অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানান। তিনি মনো-দৈহিক বিকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করার আহবান জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হিমাংশু ভৌমিক। প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলায় এসএম হল (বীরশ্রেষ্ঠ) চ্যাম্পিয়ন এবং বিএসএল (ওয়ারিয়র্স) রানার আপ হয়। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, হলের প্রভোস্টগণ, অফিস প্রধানগণসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

January 23, 2024

ডুয়েটে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্র্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আহসান উল্লাহ্ মাস্টার অডিটোরিয়ামে এই ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান।

পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হিমাংশু ভৌমিক। মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ ও বিভাগীয় প্রধানগণ। ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে ডুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। 

অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তোমরা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছ। এজন্য তোমাদেরকে জানাই অভিনন্দন ও আন্তরিক ধন্যবাদ। তোমাদের পদচারণায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ আজ মুখরিত। তোমাদের আগামীর দিনগুলো আনন্দময় হোক। তিনি আরো বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশ এবং দেশের বাইরে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে, তোমরা তাদের উত্তরসূরী। তোমাদের সাফল্যের একমাত্র পথ হচ্ছে পরিশ্রম। কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কোন কিছু অর্জন করা সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, তোমাদেরকে সৎ ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে এবং নিজেদের সংস্কৃতিকে ধারণ করে সু-নাগরিক ও দেশপ্রেমিক হয়ে গড়ে উঠতে হবে। গ্রোবালাইজেশনের এই যুগে পুরো পৃথিবীর গ্রাজুয়েটদের সঙ্গে তোমাদের প্রতিযোগিতা করতে হবে। এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য হয়ে উঠার আহবান জানান। তিনি আরো বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তোমরা যেন সোনার মানুষ হয়ে সেই স্বপ্ন পূরণে অগ্রবর্তি হও। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ ১৪ ডিসেম্বরের সকল শহীদ বুদ্ধিজীবি ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি এবং ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তোমরা যেন সঠিক সময়ের মধ্যে কোর্স সম্পন্ন করে ভালো ফলাফল নিয়ে প্রকৌশলী হয়ে বের হয়ে কর্মের মাধ্যমে দেশের সেবা করতে পারো। তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ানুবর্তি হয়ে শৃঙ্খলা মেনে গুরুত্বসহকারে পড়াশোনার আহবান জানান।

রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হিমাংশু ভৌমিক নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ডুয়েটের এই সুন্দর ক্যাম্পাসে তোমাদের পথচলা শুরু হলো। তোমরা কঠোর পরিশ্রম ও পড়ালেখা করে মেধা বিকাশের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করবে এবং ডুয়েট ও দেশের সুনাম বয়ে আনবে। 

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান মিঠুন ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহামুদ হাসান মান্না। এছাড়া নবীন শিক্ষার্থীর পক্ষে প্রথম বর্ষের দুজন শিক্ষার্থী অনুভূতি ব্যক্ত করেন ও ডুয়েট লাইব্রেরির রিসোর্স নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, হল প্রভোস্ট, অফিস প্রধানগণ এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

January 15, 2024

ডুয়েটে ‘গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্প’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার জন্য নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্প বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৫ জানুয়ারি) দিনব্যাপী ডুয়েটের শহীদ আহসান উল্লাহ্ মাস্টার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জায়েদা খাতুন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়রের উপদেষ্টা এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম। আরো উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নিরাপদ, বাসযোগ্য এবং সমৃদ্ধ সিটি কর্পোরেশন তৈরি করার লক্ষ্যে নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ের মধ্যে গাজীপুর মহানগরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ, সুবিন্যস্ত, পরিবেশ সম্মত, গতিশীল ও মানসম্মত জনবসতি গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া এই মাস্টার প্লান বাস্তবায়নের মাধ্যমে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ এই সমৃদ্ধশালী শহরে বসবাসকারী নগরবাসীদের চাহিদা মেটাতে পরিবেশসম্মত বাসযোগ্য একটি আধুনিক নগরী উপহার দিবেন বলে কর্মশালায় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এই মাস্টার প্লানটি সুচারুভাবে প্রণয়ন ও সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীবৃন্দ ডুয়েটের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। 

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রথমে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রকল্প পরিচিতি তুলে ধরা হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের কো-অর্ডিনেশন টিম লিডার ও ডুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক। প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন প্রকল্পের ওয়ার্কিং টিমের টিম লিডার  অধ্যাপক আখতারুজ জামান চৌধুরী ও ডেপুটি টিম লিডার সামায়ুন-আল-নুর। এরপর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। 

ডুয়েটের কনসালটেন্সি রিসার্চ অ্যান্ড টেস্টিং সার্ভিস (সিআরটিএস), সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালা আয়োজিত হয়। ডুয়েটের সিআরটিএস এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী আবু মঞ্জুরের সঞ্চালনায় কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আকরামুল আলম, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ড. মো. শওকত ওসমান, ডুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), অফিস প্রধানবৃন্দ এবং সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আব্দুল হান্নান, সিটি কর্পোরেশনের প্রকল্প পরিচালক মো. মইনুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আকবর হোসেন, বিভিন্ন জোনের নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ডুয়েটের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়া গাজীপুরের বিভিন্ন অফিস ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং বিভিন্ন স্তরের নানা শ্রেণীর পেশাজীবিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। 

January 15, 2024

ডুয়েটে সিটিজেন চার্টার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘রিভিটালাইজিং কমিটমেন্টস্ : আপডেটিং দ্যা সিটিজেন চার্টার অব এন ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি’ বিষয়ক কর্মশালা আজ সোমবার (১৫ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি.) বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। 

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সিটিজেন চার্টার। সিটিজেন চার্টার জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের অংশ। এর উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠানের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা, স্বচ্ছতা ও মানের উন্নয়ন। ডুয়েটে প্রণীত সিটিজেন চার্টারে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সেবা, সেবা প্রাপ্তির স্থান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, সেবার মানদণ্ড নির্ধারিত ও সেবাপ্রাপ্তির অঙ্গীকার বর্ণিত রয়েছে। এর ফলে সেবা গ্রহীতা আগে থেকেই জানতে পারেন কোথায়, কোন প্রক্রিয়ায় সেবা পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানের অধিকতর স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ধারাবাহিক কার্যক্রমের আওতার অংশ হিসেবে এই সিটিজেন চার্টার বিষয়ক কর্মশালা। এতে সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সেবার মান আরো উন্নত ও সহজতর হবে। এছাড়া তিনি সকলকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও দর্শনকে লালন করে দেশ প্রেমের মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত হয়ে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নকে আরো বেগবান করার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত রাষ্ট্র গড়ার আহবান জানান।


ডুয়েটের অ্যানুয়াল পারফরম্যান্স এগ্রিমেন্ট (এপিএ) টিম ও সিটিজেন চার্টার কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালাটিতে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের জিএসইই বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) ও সিটিজেন চার্টার পরিবীক্ষণ কমিটির বিকল্প ফোকাল পয়েন্ট জনাব ইকরামুল ইসলাম অপু। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন এপিএ টিমের টিম লিডার ও আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন সিটিজেন চার্টার কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিটিজেন চার্টার বিষয়ক কমিটির ফোকাল পয়েন্ট ও ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান মো. আবু আউয়াল সিদ্দিকী। 

কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ সংক্রান্ত বিভিন্ন কমিটির ফোকাল পয়েন্টবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও অফিসের ফোকাল পয়েন্ট/প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

January 14, 2024

ডুয়েটে আন্তঃহল ক্রিকেট প্রতিযোগিতা-২০২৪ উদ্বোধন

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আজ রবিবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আন্তঃহল ক্রিকেট প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। 

অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, সুস্থ দেহ ও সতেজ মন ধরে রাখতে খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা একান্তভাবে জরুরি। স্বাধীনতা অর্জনের পর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অন্যান্য ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের নিবিড় প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সফলতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, আমরা লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলাকে গুরুত্ব দিচ্ছি এজন্য যে, তরুণ প্রজন্ম যত বেশি খেলাধুলায় অংশ নেবে ততটাই তাদের মন-মানসিকতা উন্নত হবে ও শারীরিকভাবে সুস্থ হবে এবং নিজেদের আরো বেশি তৈরি করতে পারবে। এছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের জীবনধারার মানের উন্নয়ন ঘটেছে। তবে সেই পরিবর্তিত জীবনধারার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার জন্য শরীর ও মনের সমন্বয় এবং ব্যক্তিগত জীবনের উন্নতির স্বার্থেই আমাদের খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রমের দিকে নজর দিতে হবে। 

এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনে দীক্ষিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। এছাড়া তিনি ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হিমাংশু ভৌমিক। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, হলের প্রভোস্টগণ, অফিস প্রধানগণসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

January 12, 2024

পুনরায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় আ.ক.ম. মোজাম্মেল হককে ডুয়েট উপাচার্যের অভিনন্দন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে পুনরায় শপথ গ্রহণ করায় আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক, এমপিকে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। 

আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি.) সকালে এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, মাননীয় মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক, এমপি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। তিনি ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ কমিটির আহবায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ব্রিগেডিয়ার জাহানজেবের বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন এবং ব্রিগেডিয়ার জাহানজেবকে জয়দেবপুর থেকে ফেরৎ চলে আসতে বাধ্য করেন। তিনি ২০০৮ সালে গাজীপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ভ‚মি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে তখন থেকে তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রণয়ন, ভাতা, বোনাস, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও আবাসন ব্যবস্থা এবং প্রতি জেলা ও উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। এছাড়া বধ্যভ‚মি সংরক্ষণ, যুদ্ধকালীন ঐতিহাসিক স্থান ও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ প্রতিরোধ যুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক স্বাধীনতাস্তম্ভ, ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের ভাস্কর্য স্থাপনের কার্যক্রম ও মুজিবনগরে ঐতিহাসিক কর্মকান্ডের জন্য গুরুত্বপ‚র্ণ কাজ বাস্তবায়ন করেছেন। 

উপাচার্য আরো বলেন, তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তৃণমূল পর্যন্ত এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের নিকট পৌঁছে দেওয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গৌরব বিশ্বের দরবারে সমুন্নত থাকবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিজেকে নিবেদিত রেখে বিরামহীনভাবে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছেন, তারই ধারাবাহিকতায় আপনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনকে ধারণ করে সোনার বাংলা বিনিমার্ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি মাননীয় মন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন।

January 12, 2024

শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরীকে ডুয়েট উপাচার্যের অভিনন্দন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র ও চট্টলবীর খ্যাত এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, এমপিকে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। 

আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি.) সকালে এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, এমপিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পেয়ে শিক্ষা পরিবার তথা আমরা সকলেই গর্বিত, আনন্দিত ও মহিমান্বিত হয়েছি। আমরা আশা করি, বর্তমান সরকারের বিশ্বজনীন শিক্ষার পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিকাশে এবং সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও জীবনব্যাপী শিক্ষার প্রসারে যে দক্ষ নেতৃত্ব তিনি দিয়ে চলেছেন, তার সুফল সারাদেশের মানুষ ভোগ করবে। শিক্ষার উৎকর্ষতা ও নতুন জ্ঞানের উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে গবেষণাবান্ধব শিক্ষামনস্ক জনগোষ্ঠী তৈরি করার ক্ষেত্রে তাঁর দিক নির্দেশনা শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভ‚মিকা পালন করবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আমরা আরো বিশ্বাস করি যে, জ্ঞানলাভের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের বিষয়টি সমন্বয়ের মাধ্যমে আপনার হাত ধরে বাস্তব ও প্রয়োগমুখী শিক্ষার বিস্তার ঘটবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ এবং একটি উন্নত ও স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা ক্ষেত্রে আপনার সুযোগ্য নেতৃত্ব যুগান্তকারী ভ‚মিকা পালন করবে।  

উপাচার্য আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সারাবিশ্বের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে যে মৌলিক ও বাস্তব পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছেন, তারই ধারাবাহিকতায় আপনার নেতৃত্বে দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে। তিনি মাননীয় মন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন।


January 11, 2024

পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে ডুয়েট উপাচার্যের অভিনন্দন

পঞ্চমবারের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি.) এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় ও পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করার মাধ্যমে এদেশের মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর নিরলস পরিশ্রম ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের ‘বিস্ময়’এবং ‘রোল মডেল’ হিসেবে আখ্যায়িত। পূর্বের ধারাবাহিকতায় উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশকে একটি উন্নত ও স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠা করবেন। 

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সোনার বাংলা বিনির্মাণে ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিজেকে নিবেদিত রেখে বিরামহীনভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জেল-জুলুম উপেক্ষা করে দেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় লাভের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত চারবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়ে এখন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। নানা প্রতিক‚লতা সত্তে¡ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দূরদর্শী, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম সারাবিশ্বে আজ প্রশংসা অর্জন করেছে। সম্প্রতি তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রো রেল, এলিভেটেড এ´প্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অসংখ্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে। তাঁর বিচক্ষণতা, অকৃত্রিম দেশপ্রেম, সাধারণ মানুষের প্রতি ভালবাসা ও মমত্ববোধ এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলে আজ কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়নসহ আর্থ-সামাজিক সকল খাতে বাংলাদেশ অর্জন করেছে বিস্ময়কর অগ্রগতি। আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়ন-অগ্রগতির সকল সূচকে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। তিনি দেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করতে রূপকল্প ২০২১ এর সফল বাস্তবায়নের পথ ধরে রূপকল্প ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এর মতো দূরদর্শী কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন। পঞ্চম মেয়াদে তাঁর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে রূপকল্প ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এবং এ ধরণের কর্মসূচীগুলো আরো বেগবান হবে।

এছাড়া উপাচার্য বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাই বাঙালির নব দিগন্তের কান্ডারি, বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসুরি ও আমাদের ঐক্যের প্রতীক ও আশা-ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাযাত্রায় ২০৪১ সালের আগেই বিশ্বের বুকে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন।

January 10, 2024

ডুয়েটে ঐতিহাসিক ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উদযাপন

যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ঐতিহাসিক ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। আজ বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের  মূল ফটকে অবস্থিত তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এরপর পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও ডুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ, বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অ.দা.), অফিস প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সূর্যোদয়ের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাসভবন, লাইব্রেরি ভবন ও হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচী শুরু হয়।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান এক বাণীতে বলেন, বাঙালির মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে এক কালজয়ী মহাপুরুষ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরে পায়। মহান নেতার আগমনে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের আনন্দ পরিপূর্ণতা লাভ করে। বঙ্গবন্ধুর এই প্রত্যাবর্তন ছিল সদ্য স্বাধীন বাঙালির জাতীয় জীবনে সবচেয়ে বেশি আবেগঘন ঘটনা এবং একটি বড় অনুপ্রেরণা। এই দিনে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা শুরু করি। 

তিনি আরো বলেন, অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ে তোলাই ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন। তিনি আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন এবং যুদ্ধ-বিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে সংবিধান প্রণয়ন, শরণার্থী পুনর্বাসন, অর্থনৈতিক পুনর্বাসন ও দেশ গঠন, প্রশাসনিক সংস্কার, প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, বিদ্যুৎ, রাস্তা, রেলসহ সকল অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন, কৃষি ও সমবায়, শিক্ষা, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা, শিল্প ও বহিঃবাণিজ্য, নারী উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের স্বীকৃতি, জল ও স্থল সম্পদ রক্ষায় নীতিমালা, আইনের শাসন ও দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন ইত্যাদি - সকলক্ষেত্রে যথোপযুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের সারথী হয়ে তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা রক্তেভেজা সেই পতাকা হাতে নিয়ে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে উন্নত ও স্মার্ট দেশ গড়ার লক্ষ্যে আজ বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। বাণীতে উপাচার্য ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ তাঁদের পরিবারের শাহাদত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। 

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে ছিল বা’দ যোহর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর আত্মার শান্তি কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে বিশেষ মোনাজাত, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা এবং বিকেলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ঘটনাবহুল জীবনের উপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী। 

January 08, 2024

পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে ডুয়েট উপাচার্যের অভিনন্দন

 দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জ্যেষ্ঠ কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। আজ (০৮ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি.) সকালে এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, এই বিজয়ের মাধ্যমে এদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন  শেখ হাসিনার নিরলস পরিশ্রম ও দূরদর্শী নেতৃত্ব, অকৃত্রিম দেশপ্রেম এদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ধারা অব্যাহত রাখতে এবং একটি উন্নত ও স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ইতিহাসে এক মাইলফলক ও অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছে। তিনি সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

তিনি আরো বলেন, তৎকালীন সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে অন্ধকার থেকে আলোর পথে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়। দেশে ফিরেই তিনি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য একাগ্রচিত্তে ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ শুরু করেন। তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। এরপর দেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় লাভের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত চার বার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়ে এখন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। নানা প্রতিকুলতা সত্ত্বেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দূরদর্শী, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমূখী কার্যক্রম সারা বিশ্বে আজ প্রশংসা অর্জন করেছে। সম্প্রতি তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রো রেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অসংখ্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে। তিনি দেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করতে রূপকল্প ২০২১ এর সফল বাস্তবায়নের পথ ধরে রূপকল্প ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এর মতো দূরদর্শী কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন। তাঁর বিচক্ষণতা, অকৃত্রিম দেশপ্রেম, সাধারণ মানুষের প্রতি ভালবাসা ও মমত্ববোধ এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলে আজ কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়নসহ আর্থ-সামাজিক সকল খাতে বাংলাদেশ অর্জন করেছে বিস্ময়কর অগ্রগতি। আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়ন-অগ্রগতির সকল সূচকে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের ‘বিস্ময়’ এবং ‘রোল মডেল’ হিসেবে আখ্যায়িত। বাঙালির নব দিগন্তের কান্ডারি, বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসুরি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ঐক্যের প্রতীক ও ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল।

এছাড়া উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাযাত্রায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের আগেই বিশ্বের বুকে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ূ ও কল্যাণ কামনা করেন।

December 28, 2023

ডুয়েটে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সফ্টওয়্যার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সফ্টওয়্যার’ বিষয়ক কর্মশালা আজ বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রি.) বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণের মাধ্যমে সকল উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন কার্যক্রমের আওতায় অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সফ্টওয়্যার বিষয়ক কর্মশালাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি বিজয়ের এই মাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ ১৪ ডিসেম্বরের সকল শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি এবং ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হিমাংশু ভৌমিক।


ডুয়েটের অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-র উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালাটিতে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমআরএইউ), গাজীপুর-এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও এপিএ ফোকাল পয়েন্ট মোহাম্মদ আবু আল বাসার। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ডুয়েটের এপিএ টিমের টিম লিডার ও আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য-সচিব ও অনিক কর্মকর্তা অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. মফিজুর রহমান। 

কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস ও কম্পট্রোলার অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

December 16, 2023

ডুয়েটে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে বিজয় দিবস উদযাপন

বিভিন্ন কর্মসূচী ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। আজ (১৬ ডিসেম্বর) শনিবার দিবসটি উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবন, প্রশাসনিক ভবন ও হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচীর শুরু হয়। সকাল ৮:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স এসোসিয়েশন, ছাত্র সংগঠন, কর্মচারী সমিতিসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিজয় শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অ. দা.), অফিস প্রধানগণ এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে উপাচার্য সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে এক বাণীতে বলেন, স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। বাঙালির জাতীয় ইতিহাসে বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। বিজয় যেমন আমাদের স্বকীয়তা দিয়েছে, তেমনি বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত করেছে স্বাধীন জাতি হিসেবে। এই বিজয় অর্জনের পেছনে রয়েছে শোষণ-বঞ্চনার পাশাপাশি রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস। ’৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে স্বাধীনতার বীজ বপন হয়েছিল, দীর্ঘ আন্দোলন, সংগ্রাম ও নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে তা পূর্ণতা পায়। তাঁরই নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের এইদিন চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। তিনি বিজয়ের এই মাসে ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।  

উপাচার্য আরো বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শৈশব থেকেই বাঙালি জাতিকে চরম বৈষম্যের হাত থেকে মুক্তির জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর সারাজীবনের সংগ্রাম ও ত্যাগের ফসল আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশ। তাই সত্যিকার অর্থে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হতে হলে তাঁর আদর্শ ও দর্শনকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যেতে হবে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সকলকে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণের আহবান জানান।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ এক বাণীতে সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য শপথ নেওয়ার আহবান জানান।

বিজয় দিবসের অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে বা’দ যোহর জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে বিশেষ মোনাজাত, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা, রচনা প্রতিযোগিতা এবং বিকেলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী। উল্লেখ্য, বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সেজেছে বর্ণিল আলোকসজ্জায়।

December 14, 2023

ডুয়েটে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 

দিবসটিতে অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিলো দিনব্যাপী কালো ব্যাজ ধারণ, বা’দ যোহর শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা। এ কর্মসূচীগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), অফিস প্রধান এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

December 12, 2023

ডুয়েটে স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস উদযাপিত

বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস-২০২৩ উদ্যাপিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দেয়ালে স্থাপিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ, বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ, পরিচালকবৃন্দ, রেজিস্ট্রার (অ. দা.), অফিস প্রধানগণ এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের  শহীদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টার অডিটোরিয়ামে স্থাপিত জায়ান্ট স্ক্রীনে স্মার্ট বাংলাদেশ বিষয়ক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। 

এরপর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন টিমের উদ্যোগে অনলাইন জুম প্লাটফর্মের মাধ্যমে ‘অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এক ভার্চুয়াল কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন টিমের ইনোভেশন অফিসার পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে যুক্ত ছিলেন এটুআই প্রোগ্রামের কনসালটেন্ট (ডেপুটি সেক্রেটারি) এএইচএম মাহফুজুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপাচার্য বিজয়ের এই মাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ ১৪ ডিসেম্বরের সকল শহীদ বুদ্ধিজীবি ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি এবং ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সবসময় বাঙালি জাতিকে বিজ্ঞানমনষ্ক ও শিক্ষিত করে তোলার প্রচেষ্টা করেছেন। তাঁর আদর্শকে ধারণ করে বর্তমান সরকার তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণের মাধ্যমে সকল উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। এর ফলে ডিজিটাল সক্ষমতা সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সুবিধা তৈরি হওয়ায় আমাদের বৈশ্বিক পরিমন্ডলে নিজেদের দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এছাড়া চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের আলোকে স্মার্ট বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস, ব্লক চেইন, রোবোটিক্স, বিগ ডাটা, মেডিকেল স্ক্রাইব, সাইবার নিরাপত্তার মতো উন্নত প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করার জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

উপাচার্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার চারটি ভিত্তি তথা স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি-এর স্তম্ভগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং তাঁর সুযোগ্য পুত্র আর্কিটেক অব ডিজিটাল বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার স্বপ্নকে আরো বেগবান করতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সেন্টারের পরিচালক ও আইসিটি সেলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফজলুল হাসান সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইসিটি সেলের সহকারী কম্পিউটার প্রোগ্রামার ইঞ্জিনিয়ার উৎসব রায়। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।


November 03, 2023

জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে ডুয়েট উপাচার্যের বাণী

আজ ৩ নভেম্বর। জেল হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মানবতাবোধের চরম নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতম ঘটনা ঘটেছিল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী জাতীয় চার নেতা শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ, শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান ও শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী বন্দী অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকদের হাতে নির্মম ও নৃশংসভাবে শাহাদত বরণ করেন। এই দিনটি বাঙালির জাতির জীবনে এক বেদনাবিধুর দিন। 

জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান আজ সকালে এক বাণীতে বলেন, কারাগারের অভ্যন্তরে এ ধরনের বর্বর হত্যাকান্ড পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। ওই ঘটনায় দেশবাসীসহ সারা বিশ্ব স্তম্ভিত ছিল। স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতাকেও হত্যা করেছিল। এ ঘৃণ্য হত্যাকান্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি, দেশবিরোধী চক্র বাংলার মাটি থেকে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীদের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস এবং বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। ঘাতকচক্রের সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। এদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর আদর্শ চির অ¤øান রয়েছে। দেশবাসী সকল ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। দেশবাসীর সহযোগিতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা ক্ষুধা, দারিদ্র মুক্ত, তথ্য-প্রযুক্তি সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। 

তিনি আরো বলেন, কারাগারে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যাকান্ডের শিকার জাতীয় চার নেতার আত্মত্যাগ বাঙালি জাতি চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। বঙ্গবন্ধু যে সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন সে অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখবো- এটাই হোক জেলহত্যা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার। তিনি সবাইকে জাতীয় শত্রুদের বিরুদ্ধে সচেতন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতাসহ সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

এছাড়া জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বাদ জুমআ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।