সিমাগো Ranking-এর গবেষণা ক্যাটাগরিতে দেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ডুয়েটের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি
স্পেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা মূল্যায়ন সংস্থা সিমাগো ইনস্টিটিউশনস Ranking-এর (SCImago Institutions Rankings) প্রকাশিত ২০২৬ সালের বিশ্ববিদ্যালয় Rankings-এর গবেষণা ক্যাটাগরিতে (Research Rank) দেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর। একই সঙ্গে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সরকারি ও বেসরকারি) মধ্যে সামগ্রিকভাবে ডুয়েটের অবস্থান ১১তম।
ডুয়েটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এ অর্জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গৌরবজনক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘সিমাগো Ranking-এর এ স্বীকৃতি শুধু একটি অবস্থান নয়, বরং আমাদের দীর্ঘদিনের একাডেমিক সাধনা, গবেষণায় নিবেদন এবং উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার প্রতিফলন। বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই একটি সুসংগঠিত রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এই রোডম্যাপে গবেষণার গুণগত মান বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা এবং শিল্প-একাডেমিয়া কোলাবোরেশনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য শুধু Ranking-এ এগিয়ে থাকা নয়, বরং জ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনের একটি টেকসই সংস্কৃতি গড়ে তোলা| এ লক্ষ্যে মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্ততা বাড়ানো, গবেষণায় সুবিধা সম্প্রসারণ এবং মেধাবী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডুয়েটের সকল রিসোর্স কাজে লাগিয়ে আমরা কারিকুলামের আধুনিকায়ন, একাডেমিক উৎকর্ষতা এবং গবেষণার আন্তর্জাতিকীকরণে গুরুত্ব দিচ্ছি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ডুয়েটকে একটি বিশ্বমানের শিক্ষা ও গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর।’ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রে ডুয়েটের নেতৃত্বে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধনের জন্য সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।
চলতি বছরের সিমাগো Ranking-এর তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৪৭টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক প্রভাব—এই তিনটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে SCImago Institutions Rankings বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সামগ্রিক অবস্থান নির্ধারণ করে থাকে। প্রতিটি সূচকে পৃথকভাবে পারফরম্যান্সও মূল্যায়ন করা হয়।