June 14, 2023

ডুয়েটে দুইদিন ব্যাপী ‘সাসটেইনেবল ইঞ্জিনিয়ারিং ডেভেলপমেন্ট (আইসিএসইডি-২০২৩)’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সম্পন্ন

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর দুইদিন ব্যাপী ‘সাসটেইনেবল ইঞ্জিনিয়ারিং ডেভেলপমেন্ট (আইসিএসইডি-২০২৩)’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় (১৪ জুন, ২০২৩ খ্রি.) ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এ কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডা. দিপু মনি, এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান যুগ টেকসই উন্নয়নের যুগ। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশ ও দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের আমলে দেশের অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সকল খাতে টেকসই উন্নয়নকে বিবেচনায় নিয়ে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে যাচ্ছেন। কেননা,  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন ছাড়া একটি জাতি কখনোই উন্নতি লাভ করতে পারে না। তাই এ ধরনের কনফারেন্স আয়োজন বর্তমান সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অপরদিকে, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে তথ্য ও প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ সকল বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আমরা নিজেদেরকে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুত করছি। 

তিনি আরো বলেন, এমন উপযুক্ত সময়ে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়নমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে এই ধরনের আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজনের জন্য ডুয়েটকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আমি মনে করি, এই ধরনের আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও কোলাবোরেশান তৈরি হচ্ছে। যা টেকসই উন্নয়ননের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদেরকে আরো দক্ষ হয়ে উঠতে সহায়তা করবে। আমি বিশ্বাস করি, এই কনফারেন্স থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান আমাদের দেশ ও জাতি গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

ডুয়েটের অধিকতর উন্নয়ন (১ম সংশোধনী) প্রকল্পের আয়োজনে কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা চতুর্থ শিল্প বিল্পবের যুগে আছি, যা বিশেষ করে প্রকৌশল শিক্ষাবিদদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। চতুর্থ শিল্প বিল্পবের প্রভাবে প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাথে পরিবর্তনও খুব দ্রুত গতিতে ঘটছে। তাই একমুখী গবেষণার পরিবর্তে সমন্বিত এবং বহুমাত্রিক বিষয়ে গবেষণাসমূহকে প্রাধ্যান্য দিয়ে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে হবে এবং এই  দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিগুলির সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার বিষয়ে জ্ঞান আরোহণের ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আপনারা সকলেই জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে আমাদের বর্তমান সরকার বহুমাত্রিক গবেষণার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গবেষণার মাধ্যমে প্রযুক্তি সমৃদ্ধ যে সোনার বাংলা গড়ার পথ দেখিয়েছিলেন, সে পথ ধরে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন। সুতরাং একটি টেকসই সমাজ গঠনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির পাশাপাশি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়নমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভ‚মিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, ‘সাসটেইনেবল ইঞ্জিনিয়ারিং ডেভেলপমেন্ট (আইসিএসইডি-২০২৩)’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের থেকে নতুন নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং জ্ঞান বিনিময়ের প্লাটফর্ম তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এবং রূপকল্প ২০৪১ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন এগিয়ে যাওয়ার কার্যকরী ভ‚মিকা এবং একাডেমিয়া, শিল্প উদ্যোক্তা, নীতি-নির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

এ সময় তিনি গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি ১৯৫২ সালের সকল ভাষা শহীদ, মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ শহীদ এবং দুই লক্ষ নির্যাতিত নারীসহ মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনি, এমপিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু  ও কল্যাণ কামনা করেন। এছাড়া তিনি আয়োজক কমিটি, প্রতিনিধি, মূল বক্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং দেশ-বিদেশের অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ বলেন, টেকসই উন্নয়ন বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী একটি আলোচিত বিষয়। মানব জাতির টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রযুক্তির সকল সম্ভাবনাগুলো প্রয়োগের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের অনুশীলন করতে তিনি সকলকে আহবান জানান। তিনি বলেন, আমি মনে করি, এ কনফারেন্সে উত্থাপিত চিন্তা ভাবনাগুলো প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, টেকসই উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, গবেষক, নীতি-নির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে মতবিনিময় ও কর্মপন্থা নির্ধারনে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করবে। 

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডুয়েটের অধিকতর উন্নয়ন (১ম সংশোধনী) শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও কনফারেন্স চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. শওকত ওসমান। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত বেস্ট পেপার প্রেজেন্টারদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের আয়োজনে সহযোগিতায় ছিল ডুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট। পাবলিকেশন পার্টনার হিসেবে ছিল ডুয়েট জার্নাল, এনার্জি অ্যান্ড থার্মোফ্লুইডস্ ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জার্নাল অব রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যান্ড টেকনোলজি। কনফারেন্স পার্টনার হিসেবে ছিল ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অমিত সূত্রধর ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মাহবুবা জান্নাত। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ দেশ-বিদেশের শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী ও গবেষকগণ অংশগ্রহণ করেন। 

উল্লেখ্য যে, দুইদিন ব্যাপী এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বিভিন্ন বিষয়ে ৫০ টিরও বেশি টেকনিক্যাল পেপার, কী-নোট স্পিচ, ইনভাইটেড স্পিচ ইত্যাদি বিষয় উপস্থাপিত হয়। বিশ্বব্যাপী টেকসই প্রকৌশল উন্নয়ন বিষয়ে সাম্প্রতিক উদ্ভাবন ও গবেষণা নিয়ে শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, গবেষক ও নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে মতবিনিময় এবং কর্মপন্থা নির্ধারণই এ কনফারেন্সের উদ্দেশ্য ছিল। 




June 13, 2023

ডুয়েটে দুইদিন ব্যাপী ‘সাসটেইনেবল ইঞ্জিনিয়ারিং ডেভেলপমেন্ট (আইসিএসইডি-২০২৩)’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আজ মঙ্গলবার (১৩ জুন, ২০২৩ খ্রি.) দুইদিন ব্যাপী ‘সাসটেইনেবল ইঞ্জিনিয়ারিং ডেভেলপমেন্ট (আইসিএসইডি-২০২৩)’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু হয়েছে। 

ডুয়েটের অধিকতর উন্নয়ন (১ম সংশোধনী) প্রকল্পের আয়োজনে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট-এর সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টার অডিটোরিয়ামে এ কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। এ সময় তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে মানবজাতির জীবনযাপন, কাজ এবং একে অপরের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি নতুন মাত্রা দেখতে পাচ্ছি। এর ফলে আগামী কয়েক বছর অর্থনীতি এবং শিল্পসহ সকলক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়বে। এ প্রভাব মোকাবেলায় সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট বিষয়টি খুব বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সে বিবেচনায় আজকের এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্মলেনে গবষেণার ক্ষত্রে হিসেবে পাঁচটি সম্ভাবনাময় বিষয়কে বিবেচনা করা হয়েছে। এগুলো হলো- কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়নমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি। আমি মনে করি, এই সম্মলেনের মাধ্যমে গবষেক, শক্ষিাবদি, বজ্ঞিানী, শল্পি-কারখানা উদ্যোক্তাগণ, প্রযুক্তি বশিষেজ্ঞ, নীত-িনর্ধিারক এবং দশে-বদিশেরে শিক্ষার্থীগণ একত্রতি হয়ে তাদরে জ্ঞান আহরণ, শেয়ার ও বকিাশ ঘটয়িে তাদরে নজি নজি ক্ষত্রেে অবদান রাখবে।

তিনি আরো বলেন, আপনারা সকলেই জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে আমাদের বর্তমান সরকার বহুমাত্রিক গবেষণার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গবেষণার মাধ্যমে প্রযুক্তির সমৃদ্ধ যে সোনার বাংলা গড়ার পথ দেখিয়েছিলেন, সে পথ ধরে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন। সুতরাং একটি টেকসই সমাজ গঠনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির পাশাপাশি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়নমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভ‚মিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরণের আন্তর্জাতিক সম্মেলন থেকে নতুন নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং জ্ঞান বিনিময়ের প্লাটফর্ম তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এবং রূপকল্প ২০৪১ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন এগিয়ে যাওয়ার কার্যকরী ভ‚মিকা এবং একাডেমিয়া, শিল্প উদ্যোক্তা, নীতি-নির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুপ্রেরণা যোগাবে। তিনি আরো বলেন, আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি, এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক বিশিষ্ট আমন্ত্রিত বক্তা এবং গবেষকদের উপস্থাপনা এবং আলোচনা অদূর ভবিষ্যতে আমাদের দেশে প্রকৌশল এবং প্রযুক্তি শিক্ষাকে উন্নত করবে। এছাড়া তিনি দুইদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজনের জন্য অধিকতর উন্নয়ন (১ম সংশোধনী) প্রকল্প-এর অফিস, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, সংশ্লিষ্ট বিভাগসহ সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এ সময় তিনি গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, ১৯৭১ সালে এই কিংবদন্তী মহান মানুষটির নেতৃত্বে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ আত্মপ্রকাশ করেছে। তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য সংগঠিত ও উদ্বুদ্ধ করেছেন এবং বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। আজ আমাদের সরকার সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি ১৯৫২ সালের সকল ভাষা শহীদ, ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা জানান। 

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ বলেন, টেকসই উন্নয়ন বর্তমান সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। উন্নত দেশ গড়ার ক্ষেত্রে নতুন নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সমন¦য় সাধন খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তি ও প্রকৌশলগত বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আমাদেরকে দেশ ও জাতি গঠনে কাজ করতে হবে। আমি মনে করি, এ কনফারেন্সে উত্থাপিত চিন্তা ভাবনাগুলো প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, টেকসই উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, গবেষক, নীতি-নির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে মতবিনিময় ও কর্মপন্থা নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করবে। 

ডুয়েটের অধিকতর উন্নয়ন (১ম সংশোধনী) শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শওকত ওসমানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন কনফারেন্স সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. নাঈম মো. লুৎফুল হক। কী নোট স্পিকার হিসেবে ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রাইসুদ্দিন খান, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, দিল্লীর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. অতুল কুমার মিত্তাল, অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেড-এর স্কুল অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর শিক্ষক ড. ক্রিস্টিয়ান বির্জার। মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল কাশেম, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আকরামুল আলম। 

উল্লেখ্য যে, দুইদিন ব্যাপী এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বিভিন্ন বিষয়ে ৫০ টিরও বেশি টেকনিক্যাল পেপার, কী-নোট স্পিচ, ইনভাইটেড স্পিচ ইত্যাদি বিষয় উপস্থাপিত হবে। বিশ্বব্যাপী টেকসই প্রকৌশল উন্নয়ন বিষয়ে সাম্প্রতিক উদ্ভাবন ও গবেষণা নিয়ে শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, গবেষক ও নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে মতবিনিময় এবং কর্মপন্থা নির্ধারণই এ কনফারেন্সের উদ্দেশ্য। এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠান আগামীকাল (১৪ জুন) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে।

এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের পাবলিকেশন পার্টনার ছিল ডুয়েট জার্নাল, এনার্জি অ্যান্ড থার্মোফ্লুইডস্ ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জার্নাল অব রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যান্ড টেকনোলজি। কনফারেন্স পার্টনার হিসেবে ছিল ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অমিত সূত্রধর ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মাহবুবা জান্নাত। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ দেশ-বিদেশের শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী ও গবেষকগণ অংশগ্রহণ করেন। 

June 01, 2023

ডুয়েটে ‘দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি’ বিষয়ক কর্মশালা আজ বৃহস্পতিবার (১ জুন, ২০২৩ খ্রি.) ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সকালে অনলাইন জুম অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ডুয়েটের নৈতিকতা কমিটি, অ্যানুয়াল পারফরম্যান্স এগ্রিমেন্ট (এপিএ) টিম ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। এ সময় তিনি জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। সে অঙ্গীকার অনুসারে টেকসই বিনিয়োগ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য দরকার সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা ও সমৃদ্ধির সকল সুযোগ এবং সম্ভাবনার সকল দ্বার উন্মোচিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তাই দুর্নীতি দমনে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও আইনের প্রয়োগ মুখ্য হলেও তা বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে জনগণেরও দায়িত্ব রয়েছে। দুর্নীতি দমনে প্রয়োজন সরকার ও জনগণের সমন্বিত পদক্ষেপ। 

তিনি আরো বলেন, স্বচ্ছতা, দুর্নীতি হ্রাস ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সব ধরনের সরকারি কর্মকান্ডের জবাবদিহিতা জনগণের কাছে নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সকলকে দুর্নীতি প্রতিরোধে এগিয়ে এসে প্রত্যেককে নিজেদের জায়গা থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে আহবান জানান। তিনি সকলকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও দর্শনকে লালন করে দেশ প্রেমের মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত ও স্মার্ট  বাংলাদেশ গড়ার আহবান জানান।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ডুয়েটের নৈতিকতা কমিটির সদস্য-সচিব ও আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ। টেকনিক্যাল সেশনে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা অফিস, গাজীপুর-এর উপ-পরিচালক জনাব মো. মোজাহার আলী সরদার। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

May 31, 2023

ডুয়েটে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল এবং সিটিজেন চার্টার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল এবং সিটিজেন চার্টার বিষয়ক প্রশিক্ষণ আজ বুধবার  (৩১ মে, ২০২৩ খ্রি.) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষে আজ সকালে ডুয়েটের নৈতিকতা কমিটি, অ্যানুয়াল পারফরম্যান্স এগ্রিমেন্ট (এপিএ) টিম ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামটি উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। এ সময় তিনি জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সে আলোকে আইন-কানুন, নিয়মনীতি, পরিকল্পনা ও বিভিন্ন কৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সামগ্রিক উদ্যোগের সহায়ক কৌশল হিসেবে ‘সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়: জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ প্রণয়ন করা হয়েছে। একটি জাতিকে তার কাক্সিক্ষত সাফল্যে পৌঁছার জন্য শুধু আইন করে আদর্শ জাতি হিসেবে গড়ে তোলা যায় না, এর জন্য প্রয়োজন নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অনুশীলন। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যেককে নিজেদের জায়গা থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হবে। এছাড়া স্বচ্ছতা, দুর্নীতি হ্রাস ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সব ধরনের সরকারি কর্মকান্ডের জবাবদিহিতা জনগণের কাছে নিশ্চিত করতে হবে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও সবসময় জনগণের কাছে সব ধরনের সরকারি কর্মকান্ডের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বলেছেন। তিনি সকলকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও দর্শনকে লালন করে দেশ প্রেমের মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত ও স্মার্ট  বাংলাদেশ গড়ার আহŸান জানান।

প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে সভাপতিত্ব করেন ডুয়েটের নৈতিকতা কমিটির সদস্য-সচিব ও আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ। প্রশিক্ষণে টেকনিক্যাল সেশনে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ^বিদ্যালয়,গাজীপুর-এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আবু আল বাশার। প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডুয়েটের নৈতিকতা কমিটির সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। 

অন্যদিকে দুপুরে সিটিজেন চার্টারের প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আরেকটি প্রশিক্ষণ অনষ্ঠিত হয়। এ প্রশিক্ষণটিও উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ডুয়েটের অ্যানুয়াল পারফরম্যান্স এগ্রিমেন্ট (এপিএ) টিমের টিম লিডার ও আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন সিটিজেন চার্টার পরিবীক্ষণ কমিটির আহŸায়ক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সালাম। প্রশিক্ষণে টেকনিক্যাল সেশনে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক (কাউন্সিল) জনাব নাজনীন আক্তার। প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও অফিসের এপিএ সংক্রান্ত বিভিন্ন পর্যায়ের ফোকালপয়েন্টবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

May 23, 2023

ডুয়েটে বঙ্গবন্ধুর ‘জুলিও কুরি’ পদক প্রাপ্তির পঞ্চাশ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৩ সালের ২৩ মে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করা হয়। ঐতিহাসিক এই দিনটির পঞ্চাশ বছর পূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

ঐতিহাসিক এই দিনটি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার দুপুরে (২৩ মে, ২০২৩ খ্রি.) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টার অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের কোনো রাষ্ট্রনেতার প্রথম আন্তর্জাতিক পদক লাভ। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অসামান্য অবদান রাখায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক বঙ্গবন্ধুকে আনুষ্ঠনিকভাবে এই পদক দেওয়া হয়েছিলো। মর্যাদপূর্ণ এ পুরস্কার প্রাপ্তির পর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এ সম্মান কোনো ব্যক্তি বিশেষের জন্য নয়। এ সম্মান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর সেনানীদের। ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক সমগ্র বাঙালি জাতির।’ 

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদকে সংবিধানে গ্রহণ করেছেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংঘাতময় পরিস্থিতি উত্তরণে তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে শান্তি ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের ফলে আন্তর্জাাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের গৌরব ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। আঞ্চলিক ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অবস্থান ছিল স্পষ্ট। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিরাজিত সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তিই ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরাধ্য এবং এখানেই তাঁর রাজনৈতিক চেতনার মাহাত্ম্য। এ কারণেই ওই বছর এশীয় শান্তি সম্মেলনে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক বঙ্গবন্ধুকে পরিয়ে দিতে গিয়ে তৎকালীন পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল রমেশচন্দ্র বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলার নন, তিনি বিশ্বের এবং তিনি বিশ্ববন্ধু।’ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের ভিত্তিতে শান্তির বার্তা নিয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি পৃথিবীর বুকে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে চলেছে

বক্তব্যে উপাচার্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জানার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চার জন্য সকলকে আহবান জানান। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নকে জনমুখী ও টেকসই করতে সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনে দীক্ষিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশবত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়া তিনি ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে দুই লক্ষ সম্ভ্রম হারানো মা-বোনসহ সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান্ব

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ  বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিপীড়িত, নিষ্পেষিত, শোষিত, বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে বিশ্ব মানবতার কল্যাণে শান্তির সপক্ষে অবদান রেখেছেন। ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রাপ্তি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অ. দা.), অফিস প্রধানগণসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


May 17, 2023

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে ডুয়েট উপাচার্যের বাণী

আজ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৪৩ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ বুধবার (১৭ মে, ২০২৩ খ্রি.) সকালে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান এক বাণীতে বলেন, ১৯৮১ সালের এই দিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে এদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছিল। তাই এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাইলফলক ও স্মরণীয় দিন। 

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কাল রাতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। এ সময় তাঁর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় তাঁরা প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যাদেরকে ঘাতক চক্র ও তাদের দোসররা দেশে ফিরতে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। বাবা, মা, ভাইসহ আপনজনদের হারানোর পাহাড়সম বেদনা বুকে ধারণ করে তিনি দীর্ঘদিন নানা প্রতিক‚লতার মধ্যে নির্বাসিত জীবন কাটান। অবশেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে ভারতের রাজধানী দিল্লী থেকে বিমান যোগে কলকাতা হয়ে দেশে ফিরে আসেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে অন্ধকার থেকে আলোর পথে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়।

তিনি আরো বলেন, তৎকালীন সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালে এই দিনে বিমান বন্দর ও শেরে বাংলা নগর পরিণত হয় জনসমুদ্রে। দেশে ফিরেই তিনি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য একাগ্রচিত্তে ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ শুরু করেন। তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। এরপর দেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে জয় লাভের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত চার বার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত দেশে উত্তরণ হতে যাচ্ছে। নানা  প্রতিকূলতা সত্ত্বেও  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দূরদর্শী, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমূখী কার্যক্রম সারা বিশ্বে আজ প্রশংসা অর্জন করেছে। করোনা মহামারী ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্বে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্পন্ন, মেট্রো রেল, কর্ণফুলী টানেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজসহ অসংখ্য উন্নয়ন কার্যক্রম নিরবিচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের বিস্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ঐকান্তিক চেষ্টা ও যোগ্য নেতৃত্বে একের পর এক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বর্তমান সরকার এরই মধ্যে মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। তিনি দেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করতে রূপকল্প ২০২১ এর সফল বাস্তবায়নের পথ ধরে রূপকল্প ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এর মতো দূরদর্শী কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন।

এছাড়া উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাযাত্রায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের আগেই বিশ্বের বুকে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন।

May 07, 2023

জনদরদী ও গণমানুষের নেতা শহীদ আহ্সান উলাহ্ মাস্টার - ডুয়েট উপাচার্য

সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বহুমাত্রিক শক্তিতে আলোকিত জনদরদী ও গণমানুষের নেতা শহীদ আহ্সান উলাহ্ মাস্টারের ১৯তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। তাঁর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ রবিবার (৭ মে, ২০২৩ খ্রি.) এক বাণীতে উপাচার্য বলেন, গণতন্ত্রকামী এই ত্যাগী ও জননন্দিত নেতা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়সহ মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। এজন্য তাঁকে বহুবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। মেহনতি মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়সহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে

বাণীতে উপাচার্য আরো বলেন, দেশবরেণ্য রাজনীতিক শহীদ আহ্সান উলাহ্ মাস্টার ছিলেন সংগঠন অন্তপ্রাণ মানুষ। তিনি মাটির মানুষের কাছাকাছি পৌঁছে নিঃস্বার্থভাবে রাজনীতি করে গেছেন। গণমানুষের সুখে-দুঃখে নিজেকে নিবেদিত করে আপামর জনগণের নেতা হয়ে উঠেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করে শহীদ আহ্সান উলাহ্ মাস্টারও কর্মী থেকে সংগঠক হয়েছেন। ধীরে ধীরে গণমানুষের রাজনীতিকে ধারণ করে তিনি সংগঠক থেকে জাতীয় নেতায় পরিণত হয়েছেন। তিনি ছিলেন ব্যতিক্রমী দেশপ্রেমিক একজন নেতার প্রতিকৃতি। তিনি গতানুগতিক স্বার্থবাদী রাজনীতির পরিবর্তে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থেকে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ও দর্শনকে ধারণ করতেন। দুঃসময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সঙ্গে রাজনীতির মাঠে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছিলেন। রাজনীতি যখন পেশি ও অর্থশক্তির উৎস হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছিল তখন তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতির কথা বলে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর মতো তিনিও প্রমাণ করেছেন নিঃস্বার্থ রাজনীতির চেয়ে আর বড় কোনো রাজনীতি হতে পারে না। ফলে কালের পরিক্রমায় তিনি একজন আদর্শ শিক্ষক থেকে রাজনীতির শিক্ষককে পরিণত হয়েছিলেন। এভাবেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন কিংবদন্তি নেতা।

তিনি আরো বলেন, শহীদ আহ্সান উলাহ্ মাস্টার ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অবিচল একজন জননন্দিত শ্রমিক নেতা। কৃষক-শ্রমিক তথা আপামর মেহনতি মানুষেরও তিনি ছিলেন অতি আপনজন। একজন ত্যাগী ও নিবেদিত নেতা হিসেবে তিনি জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সাহস ও মনোবল নিয়ে মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়সহ গণতন্ত্রের বিকাশে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছন। শহীদ আহ্সান উলাহ্ মাস্টারের মতো ত্যাগী, সংগ্রামী ও জনদরদী নেতাকে বাঙালি জাতি আজীবন স্মরণ করবে এবং তাঁর সাহসী নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।

উপাচার্য দেশবরেণ্য রাজনীতিক শহীদ আহ্সান উলাহ্ মাস্টারের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

May 06, 2023

শোক বার্তা - শিক্ষামন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে ডুয়েট উপাচার্যের শোক

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এম.পি-এর রত্নগর্ভা মাতা রহিমা ওয়াদুদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। 

এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, মরহুমা রহিমা ওয়াদুদ গণতন্ত্র ও বাঙালীর অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ঘনিষ্ঠ সহচর এবং আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদের পত্নী। রত্নগর্ভা মাতা ও ভাষাবীর-এর স্ত্রী মহিয়সী নারী মিসেস রহিমা ওয়াদুদ তাঁর স্বামীর রাজনৈতিক জীবনে সবসময় অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। এছাড়া সস্তানদের সুশিক্ষা দিয়ে দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলেছেন। আমরা এই রত্নগর্ভা মাতা ও ভাষা সৈনিক-এর স্ত্রী মহিয়সী নারী মিসেস রহিমা ওয়াদুদের প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। 

শোক বার্তায় তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য, ভাষাসংগ্রামী মরহুম এম এ ওয়াদুদের সহধর্মিণী রহিমা ওয়াদুদ আজ দুপুরে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

April 24, 2023

নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও বিদায়ী রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ডুয়েট উপাচার্য

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন নিযুক্ত হওয়ায় ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

আজ বিকেলে এক বার্তায় তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, দুদকের সাবেক কমিশনার জনাব মো. সাহাবুদ্দিন একজন বহুমাত্রিক প্রভিভার অধিকারী সজ্জন ব্যক্তি এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর আদর্শ ও দর্শনে বিশ্বাসী একজন মানুষ। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সংঘটিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর হত্যাকান্ডের পর তিনবছর কারাবরণ করেছেন। জেল থেকে বের হয়ে তিনি পড়াশোনা শেষ করে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে বিসিএস জুডিসিয়াল সার্ভিসে যুক্ত হন। কর্মজীবনে তিনি সততা, দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমন একজন সুযোগ্য ব্যক্তি দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিযুক্ত হওয়ায় আমরা আনন্দে উদ্বেলিত। আমাদের প্রত্যাশা, একজন দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবেন

তিনি আরো বলেন, নবনিযুক্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে পথ প্রদর্শক ও প্রেরণার উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন বলে আমি কৃতজ্ঞচিত্তে আশাবাদ ব্যক্ত করছি। এছাড়াও তিনি নবনিযুক্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-এর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।

একই সঙ্গে উপাচার্য সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ একজন মাটি ও গণমানুষের নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। তাঁর কর্মজীবনে তিনি সততা, দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমন একজন সুযোগ্য ব্যক্তিকে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেয়ে আমরা তাঁর প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তাঁর অবদানের কথা জাতি চিরকাল স্মরণ করবে। 

এছাড়াও তিনি সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ-এর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।

April 17, 2023

ডুয়েটে ‘ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন

বিভিন্ন কর্মসূচি ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস’ উদ্যাপন করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৭ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রি.) দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষে ‘ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান বলেন, বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় ১৭ এপ্রিল এক স্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল দিন। স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার এদিন শপথ গ্রহণ করে বিশে^র বুকে এক অবিস্মরণীয় নজির স্থাপন করেছিল। সে সময় বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা জাতির পিতার আদর্শ ও নির্দেশনা সুচারুভাবে পালন করার ফলে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিকভাবে সরকার গঠিত হয়েছিল। জাতির পিতার নির্দেশনায় জাতীয় চার নেতার যোগ্যতম নেতৃত্বে স্বল্প সময়ে দেশ স্বাধীন হয়। দেশের জন্য এসব ত্যাগ ও অবদানের কথা আমাদের সকলের জানা দরকার। জাতি গঠনে দেশপ্রেম ও ঐক্য গড়ে তোলার জন্য আমাদেরকে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীদের আদর্শ ও জীবন সংগ্রাম তুলে ধরতে হবে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নকে আরো জনমুখী ও টেকসই করতে সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনে দীক্ষিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। তিনি ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

আলোচনা অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সকলকে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য’ বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা, দুপুরে বাদ যোহর জাতির শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা এবং বিকেলে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মুজিবনগর সরকার গঠন-এর উপর চিত্র প্রদর্শনী।

April 16, 2023

ডুয়েটে নানা কর্মসূচিতে বর্ষবরণ

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে। বাংলা নববর্ষ- ১৪৩০ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার (১৪ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রি.) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় সঙ্গীত ও এসো হে বৈশাখের গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এক বর্ণাঢ্য বৈশাখি র‍্যালি ও মঙ্গল শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বাংলা নববর্ষ- ১৪৩০ উপলক্ষ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান এক বিবৃতিতে সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। এই উৎসবটি বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা, বাঙালির জীবনাচারণ, সাহিত্য-সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। আমরা বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর নেতৃত্বে মহান স্বাধীনতা অর্জন করি।

তিনি আরো বলেন, বাঙালি জাতি শেকড় সন্ধানের মহান চেতনাবাহী এই বর্ষবরণ উৎসবকে ধারণ করেছে তার জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির অনুষঙ্গ হিসেবে। তিনি অতীতের সব গ্লানি ও পঙ্কিলতাকে পেছনে ফেলে নতুন বর্ষকে বরণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সকলকে শপথ গ্রহণের উদাত্ত আহবান জানান। এছাড়া তিনি ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবনের সম্মুখে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে চিত্র প্রদর্শনী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন হোক বাংলা নববর্ষের অঙ্গীকার’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ডুয়েট স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বাংলা নববর্ষ- ১৪৩০ উদ্যাপিত হয়েছে। 

March 27, 2023

ডুয়েটে ‘গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্প’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার জন্য নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্প বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২৭ মার্চ) দিনব্যাপী ডুয়েটের শহীদ আহসান উল্লাহ্ মাস্টার অডিটোরিয়ামে স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন এবং ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুর রহমান কিরন ও ডুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি বলেন, একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য এবং সমৃদ্ধ সিটি কর্পোরেশন তৈরি করার লক্ষ্যে নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্প খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে স্বাগত জানাই এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি আশা করি, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ের মধ্যে গাজীপুর মহানগরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ, সুবিন্যস্ত, পরিবেশ সম্মত, গতিশীল ও মানসম্মত জনবসতি গড়ে উঠবে। নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও পরিষেবাসমূহ অতি সহজলভ্য হবে।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুর রহমান কিরন বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ এই সমৃদ্ধশালী শহরে বসবাসকারী নগরবাসীদের চাহিদা মেটাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আমরা পরিকল্পিত, নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর, স্মার্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্ট নগরী গড়ে তুলতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমি আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে গাজীপুরবাসী পরিবেশসম্মত বাসযোগ্য একটি আধুনিক নগরী উপহার পাবেন। প্রণয়নকৃত এই মাস্টার প্লান সুচারুভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এ সময় তিনি প্রকল্প সার্বিক দিক তুলে ধরেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান বলেন, এটা খুবই ভালো দিক যে অনেক কম সময়ের মধ্যে ডুয়েট গাজীপুর সিটির জন্য এ ধরনের একটি মাস্টার প্লান প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়েছে। এর সঙ্গে ডুয়েট সম্পৃক্ত হতে পেরেছে- এটাও আনন্দের খবর। এই মাস্টার প্লান প্রণয়নে আমাদের তরফ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকছে এবং এর সঙ্গে সম্পৃত্ত সকলের প্রতি আমি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। এ সময় তিনি বর্তমান সরকারের উন্নয়নকে আরো জনমুখী ও টেকসই করতে এবং সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনে দীক্ষিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান। এছাড়া তিনি ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

দিনব্যাপী এ কর্মশালার প্রথম পর্বে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) প্রকল্প পরিচিতি তুলে ধরেন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের কো-অর্ডিনেশন টিম লিডার ও ডুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক। প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন প্রকল্পের ওয়ার্কিং টিমের ডেপুটি টিম লিডার সামাউন-আল-নুর। এরপর অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ফোকাস গ্রুপ আলোচনা ও প্রেজেন্টেশন প্রস্তুতকরণ হয়। দ্বিতীয় পর্বে প্রতিটি ফোকাস গ্রুপের প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। 

ডুয়েটের কনসালটেন্সি রিসার্চ অ্যান্ড টেস্টিং সার্ভিস (সিআরটিএস), সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালা আয়োজিত হয়। ডুয়েটের সিআরটিএস এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক কাজী আবু  মঞ্জুরের সঞ্চালনায় কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আকরামুল আলম, সিটি কর্পোরেশনের প্রকল্প পরিচালক মো. মইনুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আকবর হোসেন, বিভিন্ন জোনের নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, ডুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), অফিস প্রধান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, ডুয়েটের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়া গাজীপুরের বিভিন্ন অফিস ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন স্তরের নানা শ্রেণীর পেশাজীবিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। 


March 26, 2023

ডুয়েটে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপিত হয়। আজ (২৬ মার্চ) রবিবার দিবসটি উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাসভবন, লাইব্রেরি ভবন ও হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচী শুরু হয়। এরপর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে এবং সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। দিবসটি উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান এক বাণীতে বলেন, বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় অর্জনের দিন ২৬ মার্চ। পরাধীনতার শিকল ভাঙ্গার দিন। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। এই অর্জনকে অর্থবহ করতে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে। তিনি ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বাঙালির শোষণ ও নিপীড়নের হাত থেকে মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধুর আন্দোলন ও সংগ্রামের ধাপগুলোর তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং এ দেশের স্বাধীনতা কেন অপরিহার্য তা ব্যাখ্যা করেন। এ সময় তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জানার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চা করার জন্য সকলকে উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন স্বাধীনতা মানে দায়িত্বশীলতা। বঙ্গবন্ধু আত্মসমালোচনা করতে ভালবাসতেন। বঙ্গবন্ধুর এই দায়িত্বশীলতা ও আত্মসমালোচনার দর্শনটি আমাদের জীবনেও চর্চা করে যেতে হবে, যাতে আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে মানবকল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারি। 

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, ক্রীড়া, তথ্যপ্রযুক্তি, বৈদেশিক সম্পর্ক, নগর উন্নয়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী উন্নয়নসহ প্রতিটি সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছে। এর ফলে আমাদের ক্রয়ক্ষমতা, মাথাপিছু আয়, রফতানি, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি উন্নয়নকে আরো জনমুখী ও টেকসই করতে এবং সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনে দীক্ষিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট  বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান। এছাড়া তিনি ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

শোভাযাত্রা শেষে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবন চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য সবাইকে শপথ নেওয়ার আহবান জানান। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হিমাংশু ভৌমিক এবং পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী।

দিবসটি উপলক্ষ্যে অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘বঙ্গবন্ধুর দর্শন ও স্বাধীনতার চেতনায় প্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ ভাবনা’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা। দিবসটি উপলক্ষ্যে আরো রয়েছে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটের উপর চিত্র প্রদর্শনী এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস বর্ণিল আলোক সজ্জায় সুসজ্জিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গতকাল ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে সন্ধ্যা ৭:০০ টায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ সময় জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী ও রাত ১০.৩০ টা হতে ১০:৩১ মিনিট পর্যন্ত আলো নিভিয়ে ‘ব্লাক আউট’ কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

March 22, 2023

ডুয়েটে ‘ডি-নথি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘ডি-নথি’র কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। আজ বুধবার (২২ মার্চ) বিশ^বিদ্যালয়ের আইআইসিটি ল্যাব-২ কক্ষে ডুয়েটের ইনোভেশন টিমের উদ্যোগে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) ও ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) সেল কর্তৃক আয়োজিত দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে ‘ডি-নথি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। 

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনবান্ধব প্রশাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে ই-নথি থেকে ডিজিটাল নথি যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দাপ্তরিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারের এই উদ্যোগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডুয়েটও ডি নথির যুগে প্রবেশ করলো। তিনি আরো বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির বিপরীতে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ডি নথিসহ অন্যান্য সকলক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। এসময় তিনি সকলকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও দর্শনকে লালন করে দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার আহবান জানান। এছাড়া তিনি অগ্নিঝরা এই মার্চ মাসে ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

উপাচার্য এ সময় নিজ আইডি লগ ইন করে একটি নথি অনুমোদনের মাধ্যমে ডি-নথি কার্যক্রমের সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) ও ইনোভেশন অফিসার অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হিমাংশু ভৌমিক, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) সেল-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফজলুল হাসান সিদ্দিকী, কম্পট্রোলার (ভারপ্রাপ্ত) খো. নূর-এ-আলমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

March 21, 2023

ডুয়েটে ‘ডি-নথির ব্যবহারিক’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘ডি-নথির ব্যবহারিক’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ আজ মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিশ^বিদ্যালয়ের আইআইসিটি ল্যাব-২ কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডুয়েটের ইনোভেশন টিমের উদ্যোগে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) ও ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) সেল কর্তৃক আয়োজিত এ প্রশিক্ষণটি উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। 

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সন্ধিক্ষণে নিজেদের মানিয়ে নিতে আমাদের মধ্যে ই-নথি ব্যবহারের যে সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে, তা থেকে আরও একটি নতুন সংস্করণে যেতে সরকার ডিজিটাল নথি বা ডি নথি চালু করেছে। যেখানে উন্নত সার্ভার ব্যবস্থাপনা, ওসিআর, স্পিচ টু টেক্সট, এআই প্রযুক্তি সমন্বয় ঘটিয়ে ডি-নথি চালু করা হচ্ছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দাপ্তরিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তিনি আরো বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির বিপরীতে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ডি নথিসহ অন্যান্য সকলক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। 

তিনি সকলকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও দর্শনকে লালন করে দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার আহŸান জানান। এছাড়া তিনি অগ্নিঝরা এই মার্চ মাসে ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ ডি-নথির প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে শতভাগ বাস্তবায়নের উপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) ও ইনোভেশন অফিসার অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) সেল-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফজলুল হাসান সিদ্দিকী। প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন ডুয়েটের এপিএ টিমের টিম লিডার ও আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ। টেকনিক্যাল সেশনে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনোভেশন টিমের ফোকাল পয়েন্ট ও আইসিটি সেল-এর প্রোগ্রামার ইঞ্জিনিয়ার সোলাইমান আহমেদ ও নেটওর্য়াক ইঞ্জিনিয়ার মো. শিপন আক্তার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইসিটি সেল-এর সহকারী প্রোগ্রামার ইঞ্জিনিয়ার মো. ইসমাইল হোসাইন। প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।